• ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার ০৬ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Jp Nadda

দেশ

এই প্রথম রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী আদিবাসী মহিলা, জেপি নাড্ডার ঘোষণায় বিরাট চমক

ওড়িষার আদিবাসী মহিলাকে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী করে চমকে দিল বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ। এদিন অবিজেপি জোট রাষ্ট্রপতি পদে যশবন্ত সিনহাকে প্রার্থী করেছে। এবার রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী ঘোষনা করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। সাংবাদিক বৈঠকে নাড্ডা জানান, ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন রাজ্যপাল দ্রৌপদী মুর্মুকে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী করছে এনডিএ। কাউন্সিলর থেকে রাজ্যের মন্ত্রী হয়েছিলেন এই আদিবাসী সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি। পেশাগত ভাবে তিনি শিক্ষিকা।Smt. Droupadi Murmu Ji has devoted her life to serving society and empowering the poor, downtrodden as well as the marginalised. She has rich administrative experience and had an outstanding gubernatorial tenure. I am confident she will be a great President of our nation. Narendra Modi (@narendramodi) June 21, 2022

জুন ২১, ২০২২
রাজনীতি

BJP: এবার বিজেপিতে 'বিদ্রোহী' পাঁচ মতুয়া বিধায়ক

নয়া রাজ্য কমিটি গঠনের তিন দিনের মাথায় বিজেপি বিধায়কদের নিয়ে তৈরি করা হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন পাঁচ মতুয়া বিধায়ক। এই ঘটনা নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। যদিও এ নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি গ্রুপ ছেড়ে দেওয়া বিধায়করা। শুধু তাই নয়, শোনা যাচ্ছে শীলভদ্র দত্ত, রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়ও বিজেপির মিডিয়া গ্রুপ ছেড়ে বেরিয়ে গিয়েছেন। এ নিয়ে কটাক্ষ করেছে তৃণমূল।বিজেপি বিধায়কদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ থেকে বেরিয়ে গিয়েছেন পাঁচ মতুয়া বিধায়ক। তাঁরা হলেন, গাইঘাটায় বিধায়ক সুব্রত ঠাকুর, বনগাঁ উত্তরের বিধায়ক অশোক কীর্তনীয়া, হরিণঘাটার বিধায়ক অসীম সরকার, কল্যাণীর বিধায়ক অম্বিকা রায় এবং রানাঘাট দক্ষিণের বিধায়ক মুকুটমণি অধিকারী। আর এই কাণ্ড ঘিরে জল্পনা শুরু হয়েছে।এ নিয়ে প্রকাশ্যে অবশ্য মুখ খোলেননি গ্রুপ ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়া পাঁচ বিধায়কের কেউই। বনগাঁ উত্তরের বিধায়ক বলেন, আমি এ ব্যাপারে কিছু বলতে পারব না। মাফ চাইছি। কেন বেরোলাম তা এই মুহূর্তে বলতে চাইছি না। গত ২২ ডিসেম্বর নতুন রাজ্য কমিটির ঘোষণা করেছে পদ্মশিবির। ঘটনাচক্রে সেই কমিটিতে কোনও মতুয়া নেতা নেই। সেই বার্তাই কি একসঙ্গে পাঁচ মতুয়া বিধায়ক হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছেড়ে দিতে চেয়েছেন?উত্তর ২৪ পরগনা বিজেপি-র একাংশের দাবি, রাজ্যে পদ্মফুলের বাড়বাড়ন্তের কারিগর মতুয়ারা। কিন্তু রাজ্য কমিটিতে সেই মতুয়াদের কোনও প্রতিনিধি না থাকাতেই কি মনঃকেষ্ট গ্রুপ ছেড়ে যাওয়া বিধায়করা? এই জল্পনা আরও জোরদার হয়েছে বনগাঁর সাংসদ শান্তনু ঠাকুরের পদক্ষেপে। বিজেপি-র সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার সঙ্গে দেখা করার জন্য সময় চেয়েছেন তিনি।

ডিসেম্বর ২৫, ২০২১
রাজনীতি

Dilip-Nadda: নাড্ডার তলবে দিল্লি গেলেন দিলীপ, সফর ঘিরে একাধিক জল্পনা

শনিবার রাতেই দিল্লি উড়ে গেলেন দিলীপ ঘোষ। বিজেপি সূত্রে খবর, রবিবার দলের রাজ্য সভাপতির সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসতে চলেছেন সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। বৈঠকে আর কেউ থাকবেন কি না তা এখনও স্পষ্ট নয়। মনে করা হচ্ছে রাজ্য বিজেপি-তে সাংগঠনিক রদবদল নিয়েই আলোচনা হবে। আরও পড়ুনঃ রয় কৃষ্ণাকে পেতে এবার আসরে নামল মুম্বই সিটি এফসিশনিবার প্রথমে ঝাড়গ্রাম ও পরে দক্ষিণ কলকাতা জেলা বিজেপি-র বৈঠক ছিল দিলীপের। তা মিটিয়ে রাত সাড়ে ৮টা নাগাদ তিনি দিল্লির উদ্দেশে রওনা দেন। সাধারণত দিল্লিতে সাংগঠনিক বিষয়ে বৈঠকের জন্য রাজ্য সভাপতির পাশাপাশি রাজ্যের সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন)-কেও ডাকা হয় বৈঠকে। কিন্তু এ বার অমিতাভ চক্রবর্তীকে যেতে বলা হয়নি। একা দিলীপকে কেন ডাকা হল তা নিয়ে নানা জল্পনা শুরু হয়েছে। সম্প্রতি বাবুল সুপ্রিয় কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা থেকে বাদ পড়ার পরে নানা বিতর্ক তৈরি হয়েছে। দিলীপের কিছু মন্তব্য নিয়ে বাবুল যে অসন্তুষ্ট তা সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন আসানসোলের সাংসদ। একই ভাবে সৌমিত্র খাঁকে নিয়েও অস্বস্তিতে বিজেপি। এই পরিস্থিতিতে দিলীপকে কেন ডাকা হল তা নিয়ে তৈরি হয়েছে নানা কৌতুহল এবং জল্পনা। তবে দিলীপের দাবি, এটা নতুন কিছুই নয়। সর্বভারতীয় সভাপতি আর রাজ্য সভাপতি বৈঠক করবেন এটা তো স্বাভাবিক বিষয়। নিয়মিত কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে টেলিফোনে কথা হচ্ছে। ভার্চুয়াল বৈঠকও হচ্ছে। কোনও বিষয়ে সামনাসামনি কথা বলা দরকার মনে করেই আমায় ডাকা হয়েছে। কখন বৈঠক হবে বা আর কারা থাকবেন সেটা আমার জানা নেই। আর এমন একটা বৈঠক যে হবে তা আগে থাকতেই ঠিক করা ছিল।সম্প্রতি বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দিলীপের চাপা সংঘাত প্রকাশ্যে এসেছে। শুরুটা হয়েছিল শুভেন্দুর দিল্লি সফর নিয়েই। বিধানসভা নির্বাচনের ফল বেরনোর পর, দুবার দিল্লি গিয়ে কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করে এসেছেন শুভেন্দু। প্রথম বার এ নিয়ে দিলীপকে প্রশ্ন করা হলে তাঁর উত্তর ছিল, আমাকে বলে যায়নি। সে বার নাড্ডা ছাড়াও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠক করেন শুভেন্দু। পরের বার শাহর সঙ্গে বৈঠক হয়। এই দুই বৈঠক নিয়েই দলের রাজ্য সভাপতি দিলীপ অন্ধকারে ছিলেন। দিলীপকে দিল্লিতে ডাক এই অসন্তোষ ঢাকা দেওয়ার উদ্যোগও হতে পারে। দলের অভ্যন্তরীন নানা অসন্তোষ বা বেসুরো কথাবার্তা নিয়েও কথা হতে পারে তাঁর সঙ্গে। তবে এখনও ঠিক নেই ঠক কী ধরনের আলোচনা হতে পারে এই বৈঠকে।

জুলাই ১০, ২০২১
কলকাতা

JP Nadda: একুশ ভুলে ছাব্বিশে সরকার গড়ার লক্ষ্যে মন্ত্র নাড্ডার

একুশে হয়নি, কিন্তু ছাব্বিশকে পাখির চোখ করে এ রাজ্যে নতুন উদ্যমে পথচলা শুরু করতে চাইছে বিজেপি। মঙ্গলবার বঙ্গ বিজেপির কার্যকরী বৈঠকে এমটাই সাফ করে দিয়েছেন বিজেপি সর্বভারতীয় সভাপতি জগৎ প্রকাশ নাড্ডা। দিল্লি থেকে ভার্চুয়ালি এই সভায় যোগ দিয়ে রাজ্যের নেতাদের চাঙ্গা করতে এই দাওয়াই দেন তিনি। বলেন, এ বার আমরা ৩ থেকে ৭৭-এ এসেছি। আগামী ৫ বছরে বিজেপি আরও একটা বড় লাফ দেবে এবং পরবর্তী নির্বাচনে সরকার গঠন করবে।আরও পড়ুনঃ টুইটার ইন্ডিয়ার প্রধানের বিরুদ্ধে এফআইআরনাড্ডার এ দিনের বক্তব্যের বেশিরভাগ অংশেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসকে আক্রমণ করেন। রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান একজন মহিলা হওয়া সত্ত্বেও পশ্চিমবঙ্গে নারী নির্যাতনের ঘটনা ভোটের পর থেকে আরও বৃদ্ধি পেয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি। এ ছাড়াও তাঁর অভিযোগ, ভোট পরবর্তী হিংসায় বিজেপির অসংখ্য কর্মী গৃহহীন হয়ে পড়েছেন। শয়ে শয়ে বিজেপি কর্মী-সমর্থকের বাড়ি ভেঙে ফেলা হয়েছে, বা আগুনে পুড়িয়ে দিয়ে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। অন্যান্য রাজ্যের উদাহরণ টেনে নাড্ডা বলেন, কেরল, পুদুচেরি, অসমেও নির্বাচন হয়েছে। কিন্তু সেখানে হিংসার ঘটনা ঘটেনি। কারণ সেখানে তৃণমূল নেই। যেখানে তৃণমূল থাকবে, সেখানেই হিংসার ঘটনা ঘটবে।অন্যান্য বিষয়ের পাশাপাশি ভুয়ো টিকা-কাণ্ডের প্রসঙ্গ টেনেও এ দিন রাজ্য সরকারকে কটাক্ষ করেছেন বিজেপির শীর্ষ নেতার। তাঁর কথায়, কোভিড ১৯-এর টিকা নিয়েও যদি কোথাও দুর্নীতি হয় সেটাও একমাত্র পশ্চিমবঙ্গে। সাংসদ মিমি চক্রবর্তীকে জাল ভ্যাকসিন দেওয়া হল। আপনারা যদি এই দুর্নীতিকে সমর্থন করেন, তাহলে এ বার মন্ত্রীরাও ভুয়ো টিকা পেতে শুরু করবেন।

জুন ২৯, ২০২১
রাজ্য

ভোট পরবর্তী হিংসার প্রতিবাদ, কাল বিজেপির ডাকা ধরনায় সামিল জেপি নাড্ডা

রবিবার রাজ্যে বিধানসভা ভোটের ফলপ্রকাশ হয়েছে। বিপুল জনরায় নিয়ে হ্যাটট্রিক করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফের রাজ্য শাসনের ভার তাঁর উপরেই ন্যস্ত হতে চলেছে। দেরি না করে তাই বুধবারই মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেবেন তিনি। করোনা আবহে অনাড়ম্বর শপথ অনুষ্ঠান রয়েছে রাজভবনে। আর সেইদিনই রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল হয়ে ওঠা বিজেপি রাজ্যজুড়ে বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে। তাদের অভিযোগ, ভোটের ফলপ্রকাশের পরপরই রাজ্যে রাজনৈতিক হিংসায় সবচেয়ে বেশি বলি বিজেপি কর্মীরা। তারই প্রতিবাদে ধরনা। সূত্রের খবর, বিজেপির এই কর্মসূচিতে শামিল হয়ে বুধবার ধরনায় বসবেন সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডাও।মঙ্গলবার দুপুরে জেপি নাড্ডা এসেছেন শহরে। তাঁকে বিমানবন্দরে স্বাগত জানান দিলীপ ঘোষ, রাহুল সিনহারা। সেখান থেকেই সোজা নাড্ডা চলে যান নরেন্দ্রপুরের গোপালপুরে। সেখানে ভোট পরবর্তী অশান্তিতে আক্রান্ত দলীয় কর্মীদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি। এখানে বেশ কয়েকটি পরিবারের উপর দুষ্কৃতীরা হামলা চালায় বলে অভিযোগ। ভাঙচুর করা হয় বাড়িতে, চলে ব্যাপক লুটপাট। জেপি নাড্ডা এমনই বেশ কয়েকটি আক্রান্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ, লকেট চট্টোপাধ্যায়, মুকুল রায়, রাহুল সিনহারা।গোপালপুর থেকে তাঁরা যান সোনারপুরের প্রতাপনগরে। এখানে হারান আধিকারী নামে এক বিজেপি কর্মীকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ উঠেছিল। নিহতের স্ত্রী স্বর্ণলতা অধিকারী ও নাবালক ছেলে দীপ অধিকারীর সঙ্গে কথা বলেন নাড্ডা এবং অন্যান্য নেতারা। এরপর সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে নাড্ডা বলেন, এটাই তৃণমূলের গণতন্ত্র। সারা দেশের মানুষ এই হিংসা দেখছে। তবে বিজেপি এতে ভয় পায় না। এর শেষ দেখে ছাড়বে। তিনি আরও বলেন, বিরোধীদের উপর যেভাবে আক্রমণ চলছে, তা দেখেই বোঝা যায়, গণতন্ত্রকে কী চোখে দেখে তৃণমূল। সমস্ত রাজনৈতিক হত্যার বিচার হবে। গণতান্ত্রিক উপায়েই এর যোগ্য জবাব দেওয়া হবে। সূত্রের খবর, বুধবারও কলকাতায় থাকবেন নাড্ডা। দলীয় স্তরের নেতাদের সঙ্গে দলের শোচনীয় ফলাফল নিয়ে আলোচনা করতে পারেন সর্বভারতীয় বিজেপি সভাপতি।

মে ০৪, ২০২১
রাজ্য

২দিনের সফরে রাজ্যে নাড্ডা, ৫ মে দেশজুড়ে ধরনার ডাক বিজেপির

বাংলায় ভোট পরবর্তী হিংসার জের। ৫ মে দেশজুড়ে ধরনার ডাক দিল বিজেপি। বাংলার পরিস্থিতি বিবেচনা করে আজ দুদিনের জন্য রাজ্য সফরে আসছেন জেপি নাড্ডা। ভোটের ফল প্রকাশের পর রাজ্যজুড়ে শাসকদল সন্ত্রাস চলছে বলে রবিবার সন্ধে থেকেই অভিযোগ করছে বিজেপি। সোমবার দলের রাজ্য দপ্তরে এক সাংবাদিক সম্মেলনে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, রাজ্যজুড়ে অশান্তি ও হিংসার জেরে প্রাণ গিয়েছে ৬ জনের। রাজ্যে অবিলম্বে শান্তি ফেরানোর আরজি জানিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, নির্বাচন কমিশন ও রাজ্যপালকে চিঠি দিচ্ছি। মুখ্যসচিবকেও চিঠি দেওয়া হচ্ছে। তিনি হুঁশিয়ারি দেন, দ্রুত না শান্তি ফেরানোর ব্যবস্থা হলে রাস্তায় নেমে আন্দোলনে নামবে বিজেপি। এদিকে রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয় টুইটে অভিযোগ করেন, ভোটে জেতার পর তৃণমূল উৎসব করছে। এবং তারা বিজেপি কর্মীদের ঘর ভাঙছে। এখনও পর্যন্ত ৯ জনের বেশি বিজেপি কার্যকর্তা খুন হয়েছে। এদিন রাজ্যপালকে অভিযোগ জানানোর পর রাজভবনের বাইরে বেরিয়ে সংবাদ মাধ্যমের সামনে দিলীপ ঘোষ বলেন, ভয়ংকর খুন, সন্ত্রাস হচ্ছে। লাঠি নিয়ে পাড়ায় পাড়ায় ঢুকে বাড়ি ভাঙছে, আমাদের কর্মীদের মারধর করছে। সব ভিডিও আসছে। এসব বন্ধের আবেদন নিয়েই রাজ্যপালের কাছে এসেছিলাম। তিনি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে কথা বলে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন।এই পরিস্থিতিতে কর্মীদের উপর লাগাতার হামলার প্রতিবাদেই বুধবার দেশজুড়ে ধরনার ডাক দিয়েছে বিজেপি। আজ রাজ্যে এসে আক্রান্তদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেন ডেপি নাড্ডা। কর্মীদের মনোবল চাঙা করতে বৈঠক করতে দলের নেতাদের সঙ্গেও।

মে ০৪, ২০২১
কলকাতা

রুদ্রনীলকে নিয়ে দুয়ারে দুয়ারে অমিত শাহ, চাকদহে রোড শো নাড্ডার

নবান্ন দখলের লড়াইয়ের প্রায় মাঝপথে বাংলা। ২৬ এপ্রিল সপ্তম দফার ভোট তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গড় ভবানীপুরে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে সেই কেন্দ্রে না দাঁড়ালেও তাঁর বিরুদ্ধেই যে প্রধান প্রতিপক্ষ বিজেপিকে লড়তে হবে তা বলাই বাহুল্য। বিজেপির টিকিটে ভবানীপুরে দাঁড়িয়েছেন রুদ্রনীল ঘোষ। শুক্রবার চতুর্থ দফার ভোটের আগের দিন সেখানেই পথে নামলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ । কার্যত বাড়ি বাড়ি ঘুরে প্রচার করেন। অন্যদিকে, চাকদহে বিজেপি প্রার্থীদের সমর্থনে রোড শো করেন বিজেপি সভাপতি জেপি নাড্ডা।ভবানীপুরে প্রার্থী রুদ্রনীলকে নিয়ে অমিত শাহ অলিতে গলিতে ঘুরে ঘুরে প্রচার করলেন। নিজের হাতে বিলি করলেন লিফলেট। আর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে সামনে পেয়ে বিজেপির কর্মী সমর্থকরাও ফুল দিয়ে তাঁকে স্বাগত জানান। কপালে তিলকও লাগিয়ে দেন। ভবানীপুরের বেশ কয়েকটি এলাকায় এভাবে প্রচার সারেন অমিত শাহ। পরে সংবাদমাধ্যমের সামনে অমিত শাহ বলেন, রুদ্রনীল অত্যন্ত জ্ঞানী প্রার্থী। ভবানীপুরে রুদ্রনীল অনেক বেশি মার্জিনে জিতবেন। ভবানীপুর ছাড়াও মধ্যমগ্রাম-সহ একাধিক জায়গায় প্রচার সারেন অমিত শাহ। রোড শো করেন মধ্যমগ্রামে। অন্যদিকে, নদিয়ার চাকদহে রোড শো সারেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জগৎ প্রকাশ নাড্ডা। প্রায় দেড় কিলোমিটার পথ ট্যাবলোতে অতিক্রম করেন তিনি। সঙ্গে ছিলেন চাকদহের বিজেপির প্রার্থী বঙ্কিম ঘোষ। রোড শোয়ের পর জনসভায় বক্তব্য রাখেন নাড্ডা। তাঁর বক্তব্যের নিশানায় ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নাড্ডার দাবি, দিদির শাসনকাল শেষ। তোলাবাজি,কাটমানি আর তুষ্টিকরণের সরকার বেশি দিন চলবে না। এ বার ক্ষমতায় আসবে বিজেপি। চাকদহ ছাড়াও বর্ধমান-সহ আরও কয়েকটি জায়গায় দলীয় প্রার্থীদের সমর্থনে প্রচার সারেন নাড্ডা।

এপ্রিল ০৯, ২০২১
কলকাতা

বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব সামাল দিতে আসরে শাহ-নাড্ডা

বঙ্গের দুয়ারে কড়া নাড়ছে নির্বাচন। তার আগে এখনও পর্যন্ত দফায়-দফায় মাত্র ১২০ জন প্রার্থী নাম ঘোষণা করেছে বিজেপি । এর মধ্যে প্রার্থী বদলের দাবিতে জেরবার গেরুয়া শিবির। জেলায়-জেলায় স্পষ্ট অন্তর্কলহের ছবি। নির্বাচনের আগে এই ছবিতে স্বাভাবিকভাবেই বিপাকে বঙ্গ বিজেপি। আর সেই পরিস্থিতি সামাল দিতে এবার আসরে নামতে হল খোদ অমিত শাহ, জেপি নাড্ডার মতো কেন্দ্রীয় হেভিওয়েট নেতাদের।পরিস্থিতি এতটাই জটিল হয় যে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে পালটে যায় শাহি সফরসূচি। দ্বন্দ্ব সামাল দিতে দিল্লি ফেরা বাতিল করেন বিজেপির প্রাক্তন সর্বভারতীয় সভাপতি। আবার সময়ের আগে তড়িঘড়ি রাজ্যে আসেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার উপায় খুঁজতে সোমবার ভোররাত পর্যন্ত নিউটাউনের হোটেল চলে বৈঠকও। ছিলেন শিবপ্রকাশ, কৈলাস বিজয়বর্গীয়, অমিত মালব্য, দিলীপ ঘোষ, অমিতাভ চক্রবর্তী প্রমুখ। শেষপর্যন্ত রাজ্য নেতাদের সঙ্গে আলোচনা সেরে মঙ্গলবার সকাল ৯টার উড়ানে দিল্লি ফিরেছেন শাহ।কথা ছিল বাঁকুড়া থেকে অসম হয়ে দিল্লি ফিরে যাবেন। আচমকাই পাল্টে যায় অমিত শাহর সফরসূচি। দিল্লি ফিরে যাওয়ার বদলে রাজ্য বিজেপির শীর্ষস্তরের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করতে সোমবার রাতে কলকাতায় ফিরে এলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। শাহর তলব পেয়ে নিউ টাউনের হোটেলে আয়োজিত বেশি রাতের সেই বৈঠকে হাজির ছিলেন রাজ্য বিজেপির শীর্ষনেতাদের পাশাপাশি বাংলার দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় নেতারাও। বৈঠকে অংশ নেন বি এল সন্তোষ, ভূপেন্দ্র যাদবের মতো কেন্দ্রীয় নেতারা।

মার্চ ১৬, ২০২১
রাজনীতি

একাধিক কর্মসূচি আজ ফের সারাদিন কলকাতায় নাড্ডা

বুধবার রাতে কলকাতা পৌঁছেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। আজ দিনভর একাধিক কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। মধ্যাহ্নভোজ সারবেন গৌরীপুরের এক জুটমিল শ্রমিকের বাড়িতে। কী কী থাকবে মেনুতে?জানা গিয়েছে, নাড্ডার মধ্যাহ্নভোজের মেনুতে থাকবে ভাত, ডাল, আলুভাজা, বেগুনভাজা, করলাভাজা, পনিরের তরকারি, এঁচোড়ের তরকারি, ক্ষির, পাঁপড়, চাটনি। বৃহস্পতিবার দুপুর ১ টা ১০ নাগাদ জুটমিলে শ্রমিক বিজেপির বুথ সভাপতি দেবনাথ যাদবের বাড়ি যাবেন জেপি নাড্ডা। উল্লেখ্য, আজ কলকাতার হেস্টিংস অফিসের সামনে থেকে লক্ষ্য সোনার বাংলা কর্মসূচির সূচনা করবেন জেপি নাড্ডা। আম জনতা কী চায় সে বিষয়ে সরাসরি জনগণের কাছ থেকেই মতামত বা পরামর্শ নিতে রাজ্যের ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্রে আজ থেকে ছুটে বেড়াবে ২৯৪টি ডিজিটাল মোবাইল ভ্যান বা এলইডি রথ। তাতে থাকবে সাজেশনস ড্রপ বক্স। আম জনতার সেই পরামর্শ নিয়েই তৈরি হবে বঙ্গ বিজেপির নির্বাচনী ইস্তাহার। এদিন নাড্ডা যাবেন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ও বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে। বারাকপুরের আনন্দপুরী কালীবাড়ি মন্দির দর্শন করবেন। আনন্দপুরী খেলার মাঠে জনসভা করবেন তিনি। মঙ্গল পাণ্ডের মূর্তির পাদদেশেও যাবেন তিনি। ৬ ফেব্রুয়ারি নবদ্বীপ থেকে যে রথযাত্রার সূচনা করেছিলেন তিনি। আজ সেই রথযাত্রার সমাপ্তিও এই জনসভার মধ্যে দিয়ে করবেন। বিকেলে নিউটাউনের হোটেলে সাংগঠনিক বৈঠক সেরে সন্ধেয় সায়েন্স সিটি অডিটোরিয়ামে বুদ্ধিজীবীদের সঙ্গে সভা করবেন তিনি। রাজ্যের বুদ্ধিজীবীদের নিয়ে এই সভা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২১
কলকাতা

চলতি মাসেই ফের রাজ্যে মোদি-শাহ-নাড্ডা!

একুশের নির্বাচনের প্রচারে অনেকবার বাংলায় আসবেন। আগেই সে কথা জানিয়ে দিয়েছিলেন অমিত শাহ। গত বৃহস্পতিবার রাজ্যে এসে একাধিক কর্মসূচিতে অংশও নিয়েছিলেন। শোনা যাচ্ছে, চলতি মাসে ফের তিনি বঙ্গে আসছেন। আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি কাকদ্বীপ থেকে পরিবর্তন রথযাত্রার উদ্বোধন হবে তাঁর হাত দিয়েই। তবে একা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নন, বঙ্গ দখলের ভিত শক্ত করতে ফেব্রুয়ারিতেই আসতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। তবে আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি মোদির বাংলায় পা রাখার কথা শোনা যাচ্ছে। যদিও সূত্রের খবর অনুযায়ী, এবারও সরকারি কর্মসূচিতে যোগ দিতেই এরাজ্যে আসবেন তিনি। মোদি-শাহর পাশাপাশি ২৫ ফেব্রুয়ারি বাংলায় আসার কথা বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডারও।এখনও পর্যন্ত মোদির সফরের কথা সরকারিভাবে ঘোষণা না হলেও জানা গিয়েছে, নোয়াপাড়া-দক্ষিণেশ্বর মেট্রো রেলের উদ্বোধন করবেন মোদি। হুগলিতে জনসভাও করতে পারেন তিনি। তবে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়েই বঙ্গ সফরে আসার কথা অমিত শাহর। এর আগে কোচবিহার থেকে পরিবর্তন রথযাত্রার শুভ সূচনা করেছিলেন শাহ। এবার কাকদ্বীপের যাত্রার উদ্বোধনে হাজির থাকতে পারেন তিনি। পাশাপাশি কলকাতা জোনেও জনসভা করতে পারেন তিনি। আবার হুগলির সিঙ্গুরেও অমিত শাহর সমাবেশ চাইছে রাজ্য বিজেপি। ভোটের আগে জনসংযোগ বাড়াতে ইতিমধ্যেই চারটি পরিবর্তন রথযাত্রার সূচনা হয়েছে বঙ্গে। নবদ্বীপ, তারাপীঠ ও ঝাড়গ্রাম থেকে যাত্রার উদ্বোধনে ছিলেন জেপি নাড্ডা। কাকদ্বীপ থেকে পঞ্চম রথযাত্রা শুরু হবে। সব ঠিকঠাক থাকলে তারই উদ্বোধন হবে শাহর হাতে।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২১
রাজ্য

'বাংলাকে কলঙ্কিত করছেন ভাইপো'

পরিবর্তন যাত্রার সূচনা করতে এসে বীরভূমের চিল্লার ময়দানে জনসভা করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। সেখান থেকে তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল বাংলার সংস্কৃতি নষ্ট করছে। কুকথা নিয়ে তৃণমূলের যুব সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ শানান তিনি। দিন কয়েক আগে কাঁথির জনসভা থেকে শুভেন্দু অধিকারীর উদ্দেশে কুকথা বলেছিলেন অভিষেক। রীতিমতো তুই-তোকারি করেছিলেন তিনি। এবার সেই বক্তব্যকেই হাতিয়ার করলেন নাড্ডা। তাঁর কথায়, ভাইপো সভায় দাঁড়িয়ে এমন ভাষা প্রয়োগ করছেন, তা তো মুখে আনা যায় না। সকলের নামের সঙ্গে কোনও না কোনও বিশেষণ জুড়ে দিচ্ছেন। এটা কি বাংলার সংস্কৃতি? এরপরই তাঁর কটাক্ষ, সস্তায় ক্ষমতা পেয়েছেন তো, তাই মস্তি করছেন।নাড্ডার অভিযোগ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে বাংলার সংস্কৃতি সংকটে পড়েছে। তৃণমূল সকলকে বহিরাগত বলছে। ভাইয়ে ভাইয়ে লড়াই বাঁধানো হচ্ছে। তাই রাজ্যে সরকার বদলের ডাক দেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি। তাঁর কথায়, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে বাংলায় বদল হচ্ছে। তাই তিনি বারবার এ রাজ্যে আসবেন।বাংলা ওঁর মনে রয়েছে। কখনও তিনি খালি হাতে এখানে আসেন না। তুলে ধরেন এবার সাধারণ বাজেটে বাংলার প্রাপ্তির কথা। এরপরই মুখ্যমন্ত্রীকে প্রশ্ন ছুড়ে দেন নাড্ডা। জানতে চান, এত ভয় কীসের দিদি? কেন্দ্রের প্রকল্প রাজ্যের নামে চালিয়ে দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি। তৃণমূলের স্লোগান নিয়েও কটাক্ষ করেন তিনি। তাঁর কথায়, মায়ের কোনও চিহ্ন নেই এ দলে। মাটির প্রতি মমতা নেই। মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতাও নে্ই এই সরকারের।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২১
রাজ্য

আজ ফের রাজ্যে নাড্ডা

আজ রাজ্যে ফের পা রেখেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। দিনভর নানা কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে নির্বাচনী প্রচার চালাবেন তিনি। সূত্রের খবর, দুপুর সাড়ে ১২টায় তিনি তারাপীঠ মন্দিরে দর্শন করবেন। এরপর চিল্লার মঠ থেকে পরিবর্তন যাত্রার সূচনা করবেন। বামাখ্যাপার মূর্তিতে মাল্যদান করবেন। ঝাড়গ্রামে লালগড় সজীব সঙ্ঘ ময়দান থেকে পরিবর্তন কর্মসূচির সূচনা করবেন। বিকেলে সিধু-কানুর মূর্তিতেও মাল্যদান করবেন। বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটি নাগাদ ঝাড়গ্রামেই একটি জনসভায় যোগ দেবেন।BJP National President Shri @JPNadda Jis public programs in West Bengal tomorrow. pic.twitter.com/mhom9pBcOP Office of JP Nadda (@OfficeofJPNadda) February 8, 2021

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২১
রাজ্য

মালদায় রোড শোয়ের ভিড়ে আপ্লুত নাড্ডা

বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জগৎপ্রকাশ নাড্ডার রোড শোয়ের ভিড় দেখে অবাক হয়েছেন দলের রাজ্য এবং জেলা নেতৃত্ব । শনিবার দুপুরে র্যালিতে দলীয় কর্মী সমর্থকদের ভিড় দেখে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। হুডখোলা গাড়ি থেকেই দুই হাত তুলে কখনও প্রণাম জানিয়ে, আবার কখনও গাঁদা ফুল জনতার উদ্দেশ্যে ছুঁড়ে অভিবাদন জানান তিনি। এদিন মালদা শহর থেকে রবীন্দ্র এভেনিউ এলাকা পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলোমিটার বিজেপির রোড শো হয়। র্যালিতে জেপি নাড্ডার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী দেবশ্রী চৌধুরী, রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ, সাংসদ খগেন মুর্মু, দলের জেলা সভাপতি গোবিন্দ চন্দ্র মন্ডল সহ অন্যান্য নেতৃত্ব।এদিন আর নয় অন্যায় এই কর্মসূচিকে ঘিরে শহরের ফোয়ারা মোড় থেকে শুরু করে আশেপাশে এলাকায় দলীয় কর্মী সমর্থকদের উপচে পড়া ভিড়ে তিল ধারণের জায়গা ছিল না। মাত্র এক ঘণ্টার এই র্যালি দেখতে রাস্তার ধারে হাজার হাজার মানুষ দাঁড়িয়ে দীর্ঘ ক্ষণ ধরে অপেক্ষা করেন। এমনকি শহরের যে রাস্তা দিয়ে বিজেপির র্যালি গিয়েছে, সেইসব এলাকার রাস্তার ধারে বাড়ির ছাদগুলিতে ছিল সাধারণ মানুষের উপচে পড়া ভিড়। বিজেপি জেলা নেতৃত্বের তরফ দাবি করা হয়েছে যে এদিনের এই র্যালিতে প্রায় ৩০ হাজার মানুষ অংশ নিয়েছিল। বিজেপি কর্মী, সমর্থকদের সামলাতে গিয়ে রীতীমতো কালঘাম ছুটে যায় পুলিশ কর্তাদের।এদিনের হুড খোলা জিপে করে রোড শো রবীন্দ্র মূর্তির পাদদেশে গিয়ে সমাপ্তি হয়। সেখানে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা বলেন, জানুয়ারি মাস থেকে কৃষক সহায়ক সুরক্ষা অভিযান শুরু করেছিলাম। প্রায় ৪০ হাজার গ্রামে এই কর্মসূচি হয়েছে। এখনও পর্যন্ত ৩৫ লক্ষ মানুষ এই প্রকল্পে জুড়েছে। বছরে তিনবার করে কেন্দ্রের মোদি সরকারের কৃষক সম্মান নিধির মাধ্যমে টাকা পাচ্ছেন কৃষকেরা। কিন্তু মমতা দিদির সরকার কৃষকদের জন্য কিছুই করতে পারেনি।বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা আরও বলেন, মালদায রেশম থেকে আম চাষের জন্য বিখ্যাত । কিন্তু এখানে এসে কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানতে পারলাম যে বাংলায় তৃণমূল সরকার রেশম চাষের ক্ষেত্রে বিশেষ কোনো উন্নতি করতে পারেনি। এরকম শুনে সত্যিই খুব খারাপ লাগলো। তাই তো আমরা বলছি আর নয় অন্যায়। এবারে চাষীরা তাদের নিজেদের অধিকার পাবেন। কারণ , এবারের বিজেপি বাংলায় সরকার গড়বে। প্রথমে চাষীদের জন্য বিস্তর সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা করা হবে। যা কেন্দ্রের মোদি সরকার একটার পর একটা প্রকল্পে করে দিচ্ছে।বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা বলেন, আজকে যারা তৃণমূল ছাড়ছেন তারাই বলছেন ওই দলটা হচ্ছে দুর্নীতি এবং কাটমানির দল। গরু পাচার হোক অথবা কয়লা কান্ড সবই এখন ধীরে ধীরে প্রকাশ পাচ্ছে । আসলে ঝুলি থেকে বিড়াল বেরিয়েছে। তাই আর নয় অন্যায়। এবারে বিজেপি ২০০র বেশি আসন নিয়ে বাংলায় সরকার গড়বে।

ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২১
রাজনীতি

"ইতনা গুসসা কিউ হ্যায়", মমতাকে কেন বললেন নাড্ডা?

জয় শ্রীরাম ধ্বনি নিয়ে এবার তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিঁধলেন। শনিবার মালদার সাহাপুর কৃষকদের আয়োজিত এক সভায় বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জগৎপ্রকাশ নাড্ডা বলেন, আমি যখন হেলিপ্যাডে নেমে গাড়িতে করে আসছি। তখন রাস্তার দুধারে অসংখ্য মানুষ দাঁড়িয়ে ছিলেন। তাঁরা আমাকে জয় শ্রীরাম বলে অভিবাদন জানান। এই জয় শ্রীরাম ধ্বনি শুনে রেগে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আপকা ইতনা গুসসা কিঁউ হ্যায়। পরিবর্তন যাত্রার সফরে প্রথম জনসভায় এভাবেই তৃণমূল নেত্রীর প্রতি আক্রমণ শোনালেন জেপি নাড্ডা।এই জনসভায় তিনি কৃষকদের কেন্দ্রীয় সাহায্য না পাওয়ার জন্য দায়ী করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। নাড্ডা বলেন, বিভিন্ন রাজ্যের কৃষকরা কেন্দ্রীয় সাহায্য পাচ্ছে। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জেদের জন্য এরাজ্যে কৃষকরা সেই সাহায্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এরপর সাহাপুরে কৃষকদের সঙ্গে দুপুরের ভোজন সারেন জেপি নাড্ডা। এদিন মালদায় র্যালি করেন তিনি।

ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২১
রাজনীতি

বর্ধমানে জেপি নাড্ডার ঠাসা কর্মসূচি, নিরাপত্তায় কড়াকড়ি

একদিনের সফরে আজ রাজ্যে আসছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জগৎপ্রকাশ নাড্ডা। তাঁর সফর নিয়ে সতর্ক বর্ধমান জেলা পুলিশ-প্রশাসন। এর আগে ডায়মন্ড হারবারে জনসভায় যাওয়ার পথে জেপি নাড্ডার কনভয়ে হামলা হয়েছিল। অভিযোগের তীর ছিল তৃণমূল কংগ্রেসের দিকে। যদিও তৃণমূল কংগ্রেস সেই অভিযোগ অস্বীকার করে। নাড্ডার নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ায় সমালোচনার ঝড় বয়ে চলে দেশজুড়ে। রাজ্যপাল রিপোর্ট দিয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকারকে। নাড্ডার নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আইপিএসদের নিয়ে কেন্দ্র -রাজ্য টানাটানি চলে।শনিবারের দিনের বঙ্গ সফরে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকছে। বিজেপি কর্মীরাও সতর্ক। বিজেপি সভাপতির বেশিরভাগ যাতায়াত কর্মসূচি রাখা হয়েছে হেলিকপ্টারে। নিরাপত্তাজনিত কারণে আকাশ পথে তিনি যাতায়াত করবেন বলেই সূত্রের খবর। ফের যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেদিকে নজর রেখে তাঁর এদিনের কর্মসূচি তৈরি করা হয়েছে।জেপি নাড্ডা প্রথমে এগারোটা নাগাদ নামবেন অন্ডালের কাজি নজরুল ইসলাম বিমানবন্দরে। সেখান থেকে হেলিকপ্টারে করে উড়ে যাবেন কাটোয়ায়। ১১টা ৪০ মিনিটে জগদানন্দপুরে রাধা গোবিন্দ মন্দিরে পুজো দেবেন। ১১টা ৫০ মিনিটে ওই গ্রামেই কৃষক সুরক্ষা সভায় অংশ নেবেন। দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটে বাড়ি বাড়ি মুষ্টি ভিক্ষার চাল সংগ্রহ করবেন। জগদানন্দপুরে কৃষকের বাড়িতে মধ্যাহ্ন ভোজন সারবেন। সেখান থেকে কপ্টারে উড়ে বর্ধমানে হেলিপ্যাডে নামবেন।বিকেল ৩টা ৫ মিনিট নাগাদ শহরের অধিষ্ঠাত্রী দেবি সর্বমঙ্গলা মন্দিরে পুজো দেবেন। দর্শণ ও পুজো সেরে বর্ধমান শহরে রোড শো করবেন। বীরহাটা থেকে শুরু হয়ে কার্জনগেটে রোড শো শেষ হবে। বিকেল ৫টা ৩০ মিনিটে সাংবাদিকদের সঙ্গে মিলিত হবেন। ৭ টা নাগাদ ফিরে যাবেন অন্ডাল বিমানবন্দরে।

জানুয়ারি ০৯, ২০২১
দেশ

করোনায় আক্রান্ত জেপি নাড্ডা

এবার করোনায় আক্রান্ত হলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। রবিবার এক টুইট বার্তায় নিজেই এই কথা জানিয়েছেন নাড্ডা। রবিবার এক টুইট বার্তায় বিজেপি সভাপতি জানিয়েছেন, করোনা সংক্রমণের কিছু উপসর্গ দেখা দেওয়ায় আমি করোনা পরীক্ষা করাই। রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। আমার শরীর ঠিক আছে। চিকিৎসকদের পরামর্শে আমি আইসোলেশনে আছি। যারা আমার সংস্পর্শে এসেছেন গত কয়েকদিনে, তাঁদের অনুরোধ নিজেদের আইসোলেট করুন এবং স্বাস্থ্য পরীক্ষা করান। আরও পড়ুন ঃ কৃষি আইন চাষিদের উন্নয়ন করবে , সওয়াল মোদির এর আগে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন বিজেপির একাধিক শীর্ষ নেতৃত্ব। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ মন্ত্রী নীতিন গড়করি, মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান তাঁদের মধ্যে অন্যতম। দিন কয়েক আগেই রাজ্য সফরে এসে, একাধিক দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছিলেন জেপি নাড্ডা। করেছিলেন সাংবাদিক সম্মেলনও। রাজ্যে দলের শীর্ষনেতাদের সঙ্গে করেছিলেন বৈঠকেও। তাঁর করোনা পজিটিভ হওয়ার এই খবরে স্বাভাবিক ভাবেই আতঙ্ক ছড়িয়েছে বঙ্গ বিজেপিতেও।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২০
রাজ্য

জেপি নাড্ডার গাড়িতে হামলা, মুখ্যসচিব - ডিজিকে তলব স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের

রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে গতকালই রাজ্যপালের কাছে রিপোর্ট চেয়েছিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। শুক্রবার রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে নিজের রিপোর্ট পাঠিয়ে দিয়েছেন। সুত্রের খবর সেই রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, নাড্ডা-সহ অন্য বিজেপি নেতাদের উপযুক্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেনি রাজ্যের পুলিশ। রাজ্যপালের এই রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরই রাজ্যের মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় ও ডিজিপি বীরেন্দ্রকে তলব করেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। আগামী ১৪ ডিসেম্বর তাঁদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে হাজিরা দেওয়ার দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে সুত্রের খবর। আরও পড়ুন ঃ চলতি মাসেই রাজ্যে অমিত শাহ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক মনে করছে, রাজ্যের নিরাপত্তার দায় মুখ্যসচিব এবং ডিজিপির। রাজনৈতিক বাধ্যবাধকতার জন্য কোনও ভিআইপির নিরাপত্তার সঙ্গে আপস করা যাবে না। আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বীরেন্দ্রর কাছে আগামী ১৪ ডিসেম্বর পুরো ঘটনার রিপোর্ট তলব করা হবে। রিপোর্টে সন্তুষ্ট না হলে তাঁদের কড়া হুঁশিয়ারি দেওয়া হতে পারে। তাঁদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ করা হতে পারে বলেও সুত্রের খবর।

ডিসেম্বর ১১, ২০২০
রাজ্য

নাড্ডা ডায়মন্ড হারবারে গাড্ডায় পড়েছেঃ অভিষেক

আজ বিজেপির জেপি নাড্ডা ডায়মন্ড হারবারে গিয়ে গাড্ডায় পড়েছে। তা আমি কী করতে পারি? সাধারণ মানুষের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশের দায়িত্ব তো আমার নয়। বৃহস্পতিবার নাড্ডার কনভয় লক্ষ্য করে হামলার অভিযোগ নিয়ে এই প্রতিক্রিয়া দিলেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন মানুষের ক্ষোভ, তার ব্যাখ্যাও দেন অভিষেক। বলেন,লকডাউনের সময় মানুষের খোঁজ নেননি। জিএসটি, নোটবন্দি করে মানুষের জীবনে অন্ধকার এনেছেন আপনারা। আরও পড়ুন ঃ উত্তরকন্যার দেওয়ালে এবার পড়ল রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের পোষ্টার একদিনও খোঁজ নেননি। লকডাউনের সময় কোন নেতাকে খোঁজ নিতে দেখেছেন আপনারা? কবার লকডাউনে মানুষের পাশে দেখতে পেয়েছেন? একমাত্র যদি কেউ দাঁড়িয়ে থাকে, কালীঘাটে টালির ছাদেরতলায় সেই মহিলা। তিনি আরও বলেন,মানুষকে হিসাব দিতে হবে না। আসল বন্ধু কে, তা মানুষ ভালো করে জানে। সিপিএম-বিজেপি কংগ্রেস এক। যত কম বলা যায় তত ভালো।

ডিসেম্বর ১০, ২০২০
কলকাতা

অনুপম জন্মদিনে সকালে খেলেন চকোলেট, দুপুরে জুটলো পাথর

বিজেপির সর্বভারতীয় সম্পাদক অনুপম হাজরার জন্মদিন কাটলো স্বল্প পরিসরে কিন্তু বেশ হুল্লোড়ে। আনন্দের তাল কাটলো ডায়মন্ড হারবারের পথে। বৃহস্পতিবার সকালে জন্মদিনেে চকোলেট খাওয়ালেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। তারপর ডায়মন্ড হারবার যাওয়ার পথে পাথর খেলেন প্রাক্তন সাংসদ। অভিযোগ তৃণমূল কংগ্রেস নাড্ডার কনভয়ে হামলা চালায়। তখন আঘাত পান অনুপম হাজরাও। অনুপম দলের এরাজ্যে তফসিলি জাতি, উপজাতি ও পিছিয়ে পড়াদের কর্মসূচি রূপায়ণের দায়িত্বে রয়েছেন। পাশের রাজ্য বিহারে সহকারি পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন তিনি। সম্প্রতি তাঁকে ২০২১ বিধানসভা ভোটে দলের ইস্তেহার কমিটির ইনচার্জ করা হয়েছে। এদিন তিনি ৩৮ বছরে পা দিলেন। কর্মব্যস্ততার মধ্যে থেকে কিছুটা সময় বের করে পালিত হল তার জন্মদিন। দলের হেস্টিংসের দফতরে তার জন্মদিন পালিত হয়। এখন রাজ্যে রয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। আরও পড়ুন ঃ বিজেপি নিজেই নাড্ডার কনভয়ে হামলা চালিয়েছেঃ সুব্রত মুখোপাধ্যায় তিনিও দলের জাতীয় সম্পাদকের জন্মদিনে অংশগ্রহণ করেন। তাঁর জন্মদিন উপলক্ষে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা অনুপম হাজরাকে চকোলেট খাইয়ে দেন। এদিন তাঁর জন্মদিনে বিজেপি নেতাদের উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো। উপস্থিত ছিলেন অরবিন্দ মেনন, কৈলাস বিজয়বর্গীয়, শিবপ্রকাশ প্রমুখ।

ডিসেম্বর ১০, ২০২০
কলকাতা

বিজেপি নিজেই নাড্ডার কনভয়ে হামলা চালিয়েছেঃ সুব্রত মুখোপাধ্যায়

জেপি নাড্ডা যখন গাড়ি করে যাচ্ছিলেন, তখন তার গাড়ির ভেতর থেকে ভিডিও করে প্ররোচনা তৈরি করা হচ্ছিল। এটা পরিকল্পনামাফিক করা হয়েছে। জ়েপি নাড্ডার কনভয়ে হামলার প্রসঙ্গে এই মন্তব্য করলেন মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়। তিনি বলেন, পাবলিসিটির নেওয়ার জন্য এসব করা হয়েছে। রাজনীতির নাম করে শান্তিপ্রিয় পশ্চিম বাংলাকে অশান্ত করার চেষ্টা চলছে। তৃণমূল কংগ্রেসকে বদনাম করার চেষ্টা চলছে। আরও পড়ুন ঃ বাংলার পার্টি তৃণমূল, বিজেপি দিল্লির দলঃ মমতা এই পরিকল্পনা সফল হবে না। যদি কেউ অন্যায় করে থাকে তা যদি তৃণমূল কংগ্রেসের দলের কেউ হয়, আমরা খতিয়ে দেখব শাস্তি হবে। দলের কর্মীরা যাতে ফাঁদে পা না দেয়, সেই জন্য সতর্ক থাকতে অনুরোধ করব। তিনি আরও বলেন, আমি অবাক হব না, যদি বিজেপির নেতারা এটা করে থাকেন। আমরা অনেক জায়গায় দেখেছি , ওদের লোকেরা কিছু করে আমাদের নামে দোষ দেয়। যখন ওদের দলের কোনো নেতা আসেন নিজেরা নিরাপত্তা নিয়ে আসেন। আমরাও নিরাপত্তার দিই।

ডিসেম্বর ১০, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

স্থায়ীকরণ ও ‘সমকাজে সমবেতন’-এর দাবিতে উচ্চশিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর দ্বারস্থ SACTWA, ইতিবাচক আশ্বাসে বাড়ল প্রত্যাশা

উচ্চশিক্ষা ক্ষেত্রে কর্মরত রাজ্য-সহায়তা প্রাপ্ত কলেজ শিক্ষক কল্যাণ সমিতি (State Aided College Teachers Welfare Association - SACTWA)-এর দীর্ঘদিনের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে রাজ্যের উচ্চশিক্ষা দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী ডাঃ হরেকৃষ্ণ বেরা-র সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করলেন সংগঠনের প্রতিনিধিরা। সংগঠনের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক গোপাল চন্দ্র ঘোষ-এর নেতৃত্বে প্রতিনিধি দল মন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। পরে SACT শিক্ষকদের কর্মজীবনের বিভিন্ন দীর্ঘমেয়াদি সমস্যার সমাধান নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।বৈঠকে সংগঠনের পক্ষ থেকে বিশেষভাবে সমকাজে সমবেতন নীতি কার্যকর করার দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত SACT শিক্ষকদের স্থায়ীকরণ এবং চাকরির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়েও জোরালো দাবি তোলা হয়। সংগঠনের প্রতিনিধিরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে একই ধরনের দায়িত্ব পালন করলেও SACT শিক্ষকদের বেতন ও পরিষেবা সংক্রান্ত একাধিক বৈষম্যের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। সেই কারণেই তাঁদের ন্যায্য অধিকার দ্রুত নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার কথা মন্ত্রীর সামনে তুলে ধরা হয়।এছাড়াও প্রতিনিধি দল ভারতীয় জনতা পার্টি (BJP)-র নির্বাচনী সংকল্প পত্রে SACT শিক্ষকদের বিষয়ে যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, তা দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিও জানায়। সংগঠনের দাবি, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি শুধু কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তব রূপ দেওয়া উচিত।সংগঠনের দাবি ও বক্তব্য মনোযোগ সহকারে শোনার পর প্রতিমন্ত্রী ডাঃ হরেকৃষ্ণ বেরা ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেন। তিনি প্রতিনিধি দলকে আশ্বাস দেন যে, আগামী দিনে বিষয়গুলি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা হবে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। যদিও নির্দিষ্ট কোনও সময়সীমা ঘোষণা করা হয়নি, তবুও মন্ত্রীর এই আশ্বাসে সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে আশাবাদ তৈরি হয়েছে।এই প্রতিনিধি দলে উপস্থিত ছিলেন পূর্ব মেদিনীপুর জেলার সাধারণ সম্পাদক ননী গোপাল দাস, জেলা সভাপতি নন্দন মান্না, মনোজ কুমার মাইতি, পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার সভাপতি অমিতাভ পাহাড়ি, পীযূষ দাস মহাপাত্র, সুব্রত ভট্টাচার্য-সহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা।সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, SACT শিক্ষকদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ভবিষ্যতেও সরকার ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনার মাধ্যমে দাবি আদায়ের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

জুলাই ০৫, ২০২৬
রাজ্য

বারুইপুর কাণ্ডে বড় পদক্ষেপ! মুখ্যমন্ত্রীর ফোনের পরই সিট গঠন, একের পর এক গ্রেপ্তার

বারুইপুরে নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের ঘটনাকে ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রবিবার ভোরে দেহ উদ্ধারের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তদন্তে বড় পদক্ষেপ করল বারুইপুর জেলা পুলিশ। দ্রুত তদন্তের স্বার্থে বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি অভিযুক্তদের খোঁজে একাধিক জায়গায় তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ।রবিবার দুপুরে নির্যাতিতার বাবার সঙ্গে ফোনে কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। পাশাপাশি মঙ্গলবার নির্যাতিতার পরিবারকে ভবানীভবনে ডেকে পাঠানো হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথোপকথনের পরই তদন্তে আরও গতি আসে। সন্ধ্যায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পিনাকী দত্তের নেতৃত্বে ছয় সদস্যের বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করা হয়।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার বিকেল থেকে নিখোঁজ ছিল বারুইপুরের এগারো বছরের এক নাবালিকা। রবিবার ভোরে বাড়ির কাছের একটি পুকুর থেকে তার দেহ উদ্ধার হয়। পরিবারের অভিযোগ, তাকে ধর্ষণের পর খুন করা হয়েছে। এই ঘটনায় এলাকাজুড়ে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।ঘটনার প্রতিবাদে স্থানীয় বাসিন্দারা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখান। কুলপি রোডে নাবালিকার দেহ রেখে পথ অবরোধ করা হয়। রাস্তায় আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ চলে। এর জেরে দীর্ঘ সময় যান চলাচল ব্যাহত হয়। পাশাপাশি শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখার নামখানা লাইনে ট্রেন চলাচলও কিছু সময়ের জন্য বন্ধ হয়ে যায়। অভিযোগ, অবরোধ তুলতে গেলে পুলিশের উপর হামলা চালানো হয় এবং একাধিক পুলিশ গাড়িতে ভাঙচুর করা হয়।এই ঘটনার জেরে বারুইপুর থানায় মোট তিনটি মামলা দায়ের হয়েছে। একটি মামলা নাবালিকার ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগে। এছাড়া সরকারি সম্পত্তি নষ্ট, পুলিশকে আক্রমণ, অবরোধ, ভাঙচুর এবং এক অভিযুক্তকে গণপিটুনি দিয়ে হত্যার ঘটনায় আরও দুটি পৃথক মামলা রুজু করা হয়েছে। এই ঘটনাগুলির সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।তদন্তকারীদের দাবি, ঘটনার প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ফরেন্সিক রিপোর্ট, প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান এবং অন্যান্য তথ্যের ভিত্তিতে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। দ্রুত তদন্ত শেষ করে দোষীদের আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।

জুলাই ০৫, ২০২৬
স্বাস্থ্য

বর্ষায় ত্বক ও চুলের যত্নে প্রসাধনী বাছাইয়ে সতর্কতা, কী রাখবেন বিউটি কিটে?

এ বছর বর্ষার আগমন কিছুটা দেরিতে হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে তীব্র গরম ও অস্বস্তিকর আবহাওয়ার মুখোমুখি হতে হয়েছে সাধারণ মানুষকে। তবে এখন বর্ষা সক্রিয় হওয়ায় একদিকে যেমন মিলেছে স্বস্তি, অন্যদিকে বেড়েছে বাতাসের আর্দ্রতা। এই পরিবর্তিত আবহাওয়ায় ত্বক ও চুলের ওপরও পড়ছে বিশেষ প্রভাব। অতিরিক্ত ঘাম, ধুলো এবং আর্দ্রতার কারণে ত্বকের নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই বর্ষাকালে সঠিক প্রসাধনী নির্বাচন এবং নিয়মিত ত্বক ও চুলের যত্ন নেওয়া শুধু সৌন্দর্যের জন্যই নয়, সুস্থ থাকার ক্ষেত্রেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।বর্ষা মানেই একদিকে স্বস্তির বৃষ্টি, অন্যদিকে ত্বক ও চুলের নানাবিধ সমস্যা। অতিরিক্ত আর্দ্রতা, ঘাম, ধুলো এবং বৃষ্টির জল মিলিয়ে এই সময়ে ত্বক হয়ে উঠতে পারে তৈলাক্ত, আবার অনেকের ক্ষেত্রে দেখা দেয় ব্রণ, র্যাশ বা ছত্রাকজনিত সংক্রমণের আশঙ্কা। তাই বর্ষাকালে প্রসাধনী ব্যবহারে প্রয়োজন বাড়তি সচেতনতা।বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সময়ে ভারী বা অতিরিক্ত তেলযুক্ত প্রসাধনীর বদলে হালকা, নন-কমেডোজেনিক (যা সহজে রোমছিদ্র বন্ধ করে না) এবং জলভিত্তিক পণ্য ব্যবহার করাই ভালো। এতে ত্বক সতেজ থাকে এবং ব্রণের ঝুঁকিও কমে।বর্ষার বিউটি কিটে কী কী রাখবেন?১. মৃদু ফেসওয়াশ:দিনে অন্তত দুবার মুখ পরিষ্কার করলে ত্বকে জমে থাকা ঘাম, ধুলো ও অতিরিক্ত তেল দূর হয়। তবে অতিরিক্ত ফেসওয়াশ ব্যবহার করাও ঠিক নয়, এতে ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা নষ্ট হতে পারে।২. হালকা ময়েশ্চারাইজার:অনেকেই মনে করেন বর্ষায় ময়েশ্চারাইজারের প্রয়োজন নেই। কিন্তু ত্বকের আর্দ্রতার ভারসাম্য বজায় রাখতে হালকা জেল বা ওয়াটার-বেসড ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা উচিত।৩. সানস্ক্রিন:মেঘলা আকাশ থাকলেও সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি ত্বকের ক্ষতি করতে পারে। তাই বাইরে বেরোনোর আগে উপযুক্ত এসপিএফ-যুক্ত সানস্ক্রিন ব্যবহার করা জরুরি।৪. ওয়াটারপ্রুফ মেকআপ:বর্ষায় সাধারণ মেকআপ সহজেই নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই ওয়াটারপ্রুফ কাজল, মাসকারা, আইলাইনার ও লং-লাস্টিং ফাউন্ডেশন ব্যবহার করলে মেকআপ দীর্ঘক্ষণ ঠিক থাকে।৫. হালকা লিপ বাম:বৃষ্টির সময়েও ঠোঁট শুষ্ক হয়ে যেতে পারে। তাই নিয়মিত লিপ বাম ব্যবহার করলে ঠোঁট নরম ও সুরক্ষিত থাকে।চুলের যত্নেও নজর দিনবর্ষায় চুলে আর্দ্রতার প্রভাব বেশি পড়ে। ফলে খুশকি, চুল পড়া বা স্ক্যাল্পে সংক্রমণের সমস্যা দেখা দিতে পারে। সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে চুল পরিষ্কার রাখা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী হালকা কন্ডিশনার ব্যবহার করলে উপকার পাওয়া যায়। ভেজা চুল দীর্ঘক্ষণ বেঁধে রাখা বা অপরিষ্কার রাখা উচিত নয়।প্রসাধনী ব্যবহারে যেসব ভুল এড়াবেন* মেয়াদোত্তীর্ণ প্রসাধনী ব্যবহার করবেন না।* অন্যের মেকআপ বা প্রসাধনী ভাগ করে ব্যবহার করা এড়িয়ে চলুন।* ভেজা হাতে প্রসাধনীর পাত্রে বারবার হাত দেবেন না।* ত্বকে অ্যালার্জি বা জ্বালাপোড়া হলে সঙ্গে সঙ্গে সেই প্রসাধনী ব্যবহার বন্ধ করুন।* সৌন্দর্যের পাশাপাশি স্বাস্থ্যও গুরুত্বপূর্ণপ্রসাধনী ব্যবহার যতই হোক, পর্যাপ্ত জল পান, সুষম খাদ্যাভ্যাস এবং পর্যাপ্ত ঘুমই ত্বক ও চুল ভালো রাখার অন্যতম চাবিকাঠি। বর্ষায় পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং নিজের ত্বকের ধরন অনুযায়ী প্রসাধনী নির্বাচন করলেই এই মৌসুমেও সৌন্দর্য থাকবে অটুট।মনে রাখবেন: বাজারে নতুন কোনও প্রসাধনী কেনার আগে তার উপাদান, উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ দেখে নিন। প্রয়োজন হলে ত্বক বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে তবেই নতুন পণ্য ব্যবহার করুন।

জুলাই ০৫, ২০২৬
রাজ্য

১৪ বছর পরও মেলেনি বিচার! বরুণ বিশ্বাস হত্যা মামলায় নতুন তদন্তের দাবিতে বড় পদক্ষেপ পরিবারের

আরও একটি পাঁচ জুলাই। প্রতিবাদী শিক্ষক বরুণ বিশ্বাসকে হত্যার চৌদ্দ বছর পূর্ণ হলেও এখনও প্রকৃত বিচার মেলেনি বলে অভিযোগ তুলছে তাঁর পরিবার। দীর্ঘদিনের তদন্তেও মূল ষড়যন্ত্রকারীদের চিহ্নিত করা যায়নি বলে দাবি তাঁদের। তাই নতুন করে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেছেন বরুণ বিশ্বাসের পরিবারের সদস্যরা। তাঁদের দাবি, ঘটনার সম্পূর্ণ সত্য সামনে আসুক এবং প্রকৃত অপরাধীরা শাস্তি পাক।দুই হাজার বারো সালের পাঁচ জুলাই স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে গোবরডাঙা স্টেশনের বাইরে গুলিতে নিহত হন উত্তর চব্বিশ পরগনার প্রতিবাদী শিক্ষক বরুণ বিশ্বাস। তিনি কলকাতার মিত্র ইনস্টিটিউশন বিদ্যালয়ের বাংলা ভাষার শিক্ষক ছিলেন। সুটিয়া গণধর্ষণ মামলায় তিনি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। সেই হত্যাকাণ্ড গোটা রাজ্যকে নাড়া দিয়েছিল।ঘটনার এত বছর পরেও মামলার পূর্ণ নিষ্পত্তি না হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে পরিবার ও স্থানীয় মানুষের মধ্যে। তাঁদের অভিযোগ, তদন্তে এখনও পর্যন্ত প্রকৃত ষড়যন্ত্রকারীদের পরিচয় প্রকাশ্যে আসেনি। রাজনৈতিক মহলেও এই মামলাকে ঘিরে বিভিন্ন সময়ে নানা অভিযোগ উঠেছে। তবে সেই সব অভিযোগের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হয়েছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন অনেকে।রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর নতুন করে আশার আলো দেখছেন বরুণ বিশ্বাসের পরিবার এবং সুটিয়ার বাসিন্দারা। তাঁদের দাবি, মামলাটি আবার তদন্ত করে সমস্ত সত্য প্রকাশ্যে আনতে হবে। একই সঙ্গে হত্যার নেপথ্যে যারা ছিল, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি উঠেছে।বরুণ বিশ্বাসের মৃত্যুবার্ষিকীতে এদিন সুটিয়ার বিভিন্ন জায়গায় তাঁর স্মরণে কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এলাকাজুড়ে তাঁর স্মৃতিতে ব্যানার ও শ্রদ্ধার্ঘ্য দেওয়া হয়। প্রতিবাদ মিছিল, শোকসভা এবং তাঁর আবক্ষ মূর্তিতে মাল্যদান করেন স্থানীয় মানুষ। উপস্থিত বক্তারা একটাই দাবি তোলেন, এত বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে এবার প্রকৃত বিচার নিশ্চিত করতে হবে।সুটিয়া প্রতিবাদী মঞ্চের সদস্য প্রমানন্দ কবিরাজ বলেন, দীর্ঘদিন কেটে গেলেও প্রকৃত অপরাধীদের শাস্তি হয়নি। তাই নতুন করে তদন্ত করে সমস্ত সত্য সামনে আনার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। মঞ্চের সভাপতি ননীগোপাল পোদ্দারের বক্তব্য, নতুন সরকার বিভিন্ন পুরনো ঘটনার তদন্তের উদ্যোগ নিচ্ছে। তাই বরুণ বিশ্বাস হত্যা মামলাতেও নতুন তদন্ত শুরু হবে বলে তাঁদের আশা।বরুণ বিশ্বাসের দিদি প্রমিলা রায় বিশ্বাস জানান, মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁদের সাক্ষাৎ হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে নতুন করে তদন্তের আবেদন জানানো হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করে বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন বলেও দাবি তাঁর।অন্যদিকে বরুণ বিশ্বাসের দাদা অসিত বিশ্বাস অভিযোগ করেছেন, প্রতিবাদী মঞ্চের উদ্যোগে বসানো আবক্ষ মূর্তিটি বরুণ বিশ্বাসের প্রকৃত প্রতিচ্ছবি নয়। এই বিষয় নিয়েও তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

জুলাই ০৫, ২০২৬
দেশ

দানবাক্সের চুরি বন্ধ হতেই অবিশ্বাস্য বদল! প্রতিদিন কোটি টাকার বেশী বাড়ছে রাম মন্দিরের

pরাম মন্দিরের দানবাক্স থেকে নিয়মিত চুরির অভিযোগ সামনে আসার পর বদলে গিয়েছে ছবিটা। তদন্ত শুরু হওয়ার পর থেকে দানবাক্সের অর্থ আত্মসাতের ঘটনা বন্ধ হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। আর তার পরেই মন্দিরের দৈনিক নগদ আয়ে চোখে পড়ার মতো বৃদ্ধি হয়েছে। তদন্ত-সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, আগে যেখানে প্রতিদিন গড়ে ষোলো থেকে আঠারো লক্ষ টাকা সরকারি হিসাবে জমা পড়ত, এখন সেই অঙ্ক বেড়ে দাঁড়িয়েছে চব্বিশ থেকে ছাব্বিশ লক্ষ টাকায়। অর্থাৎ প্রতিদিন প্রায় আট লক্ষ টাকা বেশি জমা পড়ছে।সূত্রের দাবি, বিশেষ উৎসব বা বড় ধর্মীয় অনুষ্ঠানের দিনে অনুদানের পরিমাণ স্বাভাবিকভাবেই বেশি থাকে। তবে সাধারণ দিনগুলিতেও এতদিন যে পরিমাণ অর্থ জমা পড়ত, এখন তার তুলনায় উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি দেখা যাচ্ছে। মন্দিরের অনুদান গ্রহণের কাউন্টারগুলিতেও আগে যেখানে প্রতিদিন প্রায় ষাট হাজার থেকে এক লক্ষ টাকা জমা পড়ত, এখন সেই অঙ্কও বেড়েছে। তদন্তকারীদের অনুমান, দীর্ঘদিন ধরে দানবাক্স থেকে নগদ অর্থ সরিয়ে নেওয়া হচ্ছিল বলেই সরকারি হিসাবে কম টাকা জমা পড়ছিল।শুধু নগদ অর্থ নয়, দানে পাওয়া সোনা ও অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী নিয়েও তদন্তে উঠে আসছে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। এখনও পর্যন্ত চুরি যাওয়া সোনার কোনও খোঁজ মেলেনি। তদন্তকারীদের অনুমান, সেই সোনা গলিয়ে সোনার বিস্কুটে পরিণত করা হয়ে থাকতে পারে, যাতে সহজে শনাক্ত করা না যায় এবং লুকিয়ে রাখা যায়।বিশেষ তদন্তকারী দল ইতিমধ্যেই মন্দিরে গিয়ে পরিদর্শন করেছে। মন্দিরের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। দানে পাওয়া গয়না, মূল্যবান সামগ্রী, সংরক্ষণের নথি এবং সেগুলির রক্ষণাবেক্ষণ সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য সংগ্রহ করছেন তদন্তকারীরা। পাশাপাশি সরকারি টাঁকশালের সঙ্গে মন্দির কর্তৃপক্ষের লেনদেনের নথিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ব্যাঙ্ক এবং সরকারি টাঁকশালে পাঠানো সোনা ও অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর পূর্ণাঙ্গ হিসাবও চাওয়া হয়েছে।তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, দানে পাওয়া সমস্ত সোনা ও মূল্যবান ধাতু নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুযায়ী সংরক্ষণ বা জমা করা হয়নি। এর একটি অংশ নগদ অর্থের সঙ্গে আত্মসাৎ করা হয়ে থাকতে পারে। যদিও এই দাবির সত্যতা এখনও তদন্তাধীন।তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, ভক্তদের দানের মাধ্যমে প্রাপ্ত আয়ের হিসাব প্রতি তিন মাস অন্তর পর্যালোচনা করত শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্ট। তবে সেই বৈঠকগুলিতে সোনা, রুপো এবং অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রীর পরিমাণ ও সংরক্ষণ নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হত না বলেই তদন্তে উঠে এসেছে।

জুলাই ০৫, ২০২৬
কলকাতা

অবশেষে পুলিশের জালে কুখ্যাত মিনি ফিরোজ! মাথায় ৩৭টি মামলা, ভোরে নাটকীয় গ্রেপ্তার

দীর্ঘদিন ধরে পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে পালিয়ে বেড়ানোর পর অবশেষে গ্রেপ্তার হল গুলশন কলোনির কুখ্যাত দুষ্কৃতী মিনি ফিরোজ ওরফে মহম্মদ ফিরোজ খান। তাঁর সঙ্গে ধরা পড়েছে ঘনিষ্ঠ সহযোগী মহম্মদ সাজিদও। রবিবার ভোরে ডানকুনি টোল প্লাজার কাছ থেকে গুন্ডাদমন শাখার বিশেষ অভিযানে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁদের তপসিয়া থানার পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মহম্মদ ফিরোজ খানের বিরুদ্ধে মোট সাঁইত্রিশটি মামলা রয়েছে। গুলিচালনা, বেআইনি অস্ত্র রাখা, ভয় দেখানো, দুষ্কৃতী কার্যকলাপ এবং এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি-সহ একাধিক গুরুতর অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় মামলা দায়ের হয়েছে। বহুবার পুলিশের নজরে এলেও তিনি গ্রেপ্তার এড়িয়ে গিয়েছিলেন।গত প্রায় এক দশক ধরে মধ্য কলকাতার গুলশন কলোনিতে মিনি ফিরোজের দাপট ছিল বলে অভিযোগ। গত বছর গুলিচালনার একটি ঘটনায় তাঁর নাম সামনে আসে। সেই সময় অস্ত্র আইনের একাধিক ধারায় মামলা দায়ের হয় এবং পরে দিল্লি থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। যদিও পরে জামিনে মুক্তি পান। মুক্তির পরও তাঁর দাপট কমেনি বলেই অভিযোগ।তদন্তে উঠে এসেছে, মিনি ফিরোজ একা নয়, নিজের একটি দল নিয়েই এলাকায় সক্রিয় ছিল। সেই দলে মহম্মদ সাজিদ, মুস্তাফা-সহ আরও কয়েকজনের নাম রয়েছে। কসবার প্রাক্তন কাউন্সিলর সুশান্ত ঘোষের সঙ্গেও তাঁর বিরোধ তৈরি হয়েছিল বলে অভিযোগ। এতদিন সবাই গা ঢাকা দিয়ে থাকলেও পুলিশের নজরদারি থেকে শেষ পর্যন্ত রেহাই মেলেনি।রাজ্যে সমাজবিরোধীদের বিরুদ্ধে চলা বিশেষ অভিযানের মধ্যেই গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ডানকুনি টোল প্লাজার কাছে অভিযান চালায় গুন্ডাদমন শাখা। সেখান থেকেই মিনি ফিরোজ এবং সাজিদকে আটক করা হয়। তাঁদের বিরুদ্ধে তপসিয়া থানায় একাধিক মামলা থাকায় প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া মেনে সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। তদন্তকারীদের আশা, এই গ্রেপ্তারের পর আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসতে পারে।

জুলাই ০৫, ২০২৬
উৎসব

রথযাত্রায় ঐতিহ্যের পাশে রাজ্য, ১০০-১৫০ বছরের প্রাচীন রথ কমিটিকে ৫ লক্ষ টাকা অনুদান; জেলাজুড়ে বিশেষ প্রস্তুতির নির্দেশ নবান্নের

রথযাত্রা উপলক্ষে রাজ্যের ঐতিহ্যবাহী রথ উৎসবগুলিকে আরও সুষ্ঠু ও জাঁকজমকপূর্ণ করে তুলতে বড় সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের ১০০ থেকে ১৫০ বছর বা তারও বেশি পুরনো ঐতিহ্যশালী রথযাত্রা কমিটিগুলিকে ৫ লক্ষ টাকা করে আর্থিক অনুদান দেওয়া হবে। ইতিমধ্যেই জেলার প্রশাসনের মাধ্যমে এই ধরনের ঐতিহাসিক রথযাত্রা কমিটিগুলিকে চিহ্নিত করার কাজ শুরু হয়েছে।প্রশাসনিক সূত্রের খবর, আগামী ১৩ জুলাই এই অনুদানের চেক সংশ্লিষ্ট কমিটির অনুমোদিত প্রতিনিধিদের হাতে তুলে দেওয়া হতে পারে। সেই অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী ভার্চুয়ালি উপস্থিত থেকে রাজ্যের বিভিন্ন রথযাত্রা কমিটির প্রতিনিধিদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখতে পারেন বলেও নবান্ন সূত্রে ইঙ্গিত মিলেছে।শুধু আর্থিক সহায়তাই নয়, রাজ্যজুড়ে রথযাত্রা এবং উল্টোরথকে কেন্দ্র করে প্রশাসনিক প্রস্তুতিও জোরদার করার নির্দেশ দিয়েছে তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তর। ইতিমধ্যেই সমস্ত জেলাশাসক (ডিএম)-দের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ পাঠানো হয়েছে। সরকারি নির্দেশিকায় স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, রথযাত্রা পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক উৎসব। প্রতি বছর রাজ্যের বিভিন্ন জেলা ছাড়াও দেশের নানা প্রান্ত থেকে অসংখ্য ভক্ত ও পর্যটক এই উৎসবে অংশ নেন। ফলে তাঁদের নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং প্রয়োজনীয় নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করাই প্রশাসনের প্রধান লক্ষ্য।এই উদ্দেশ্যে প্রতিটি জেলায় রথযাত্রার রুট এবং প্রধান জনসমাগমস্থলে সেবা শিবির (ফ্যাসিলিটেশন ক্যাম্প) গড়ে তোলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই ধরনের শিবির উল্টোরথের দিনও চালু রাখতে হবে। প্রতিটি জেলার জন্য এই শিবির পরিচালনার উদ্দেশ্যে ১ লক্ষ টাকা করে বরাদ্দ করেছে রাজ্য সরকার।সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী, প্রতিটি সেবা শিবিরে বিশুদ্ধ পানীয় জল, ওআরএস প্যাকেট, প্রাথমিক চিকিৎসা ও জরুরি স্বাস্থ্য পরিষেবা, তথ্য ও সহায়তা কেন্দ্র, প্রবীণ নাগরিক, মহিলা, শিশু এবং বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের জন্য বিশেষ সহায়তার ব্যবস্থা রাখতে হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী অতিরিক্ত ভক্তবান্ধব পরিষেবাও চালু করা যাবে।এছাড়াও, কোনও জেলার প্রশাসনের মতে যদি কোনও রথযাত্রা কমিটি তার ঐতিহাসিক গুরুত্ব, বিপুল জনসমাগম বা উৎসবের ব্যাপ্তির কারণে অতিরিক্ত আর্থিক সহায়তার যোগ্য হয়, তবে বিস্তারিত কারণ উল্লেখ করে তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের কাছে সুপারিশ পাঠানোর সুযোগ রাখা হয়েছে।রথযাত্রা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে উৎসবের আগেই জেলা প্রশাসনকে পুলিশ, স্বাস্থ্য দপ্তর, দমকল, পূর্ত দপ্তর, পুরসভা, পঞ্চায়েত, পরিবহণ দপ্তর, রথযাত্রা কমিটি, জনপ্রতিনিধি এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় বৈঠক করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই বৈঠকগুলিতে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হবে ভিড় নিয়ন্ত্রণ, যান চলাচল স্বাভাবিক রাখা, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জরুরি পরিষেবা দ্রুত পৌঁছে দেওয়ার বিষয়ে।নবান্ন আরও জানিয়েছে, রথযাত্রার রুট ও সেবা শিবিরে সরকারের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের প্রচার নির্ধারিত নির্দেশিকা মেনেই করতে হবে। পাশাপাশি, ভক্তদের সুবিধার জন্য শিবিরে কী কী পরিষেবা পাওয়া যাবে, সে সম্পর্কেও প্রচারের ব্যবস্থা রাখতে হবে।উৎসব শেষ হওয়ার পরে প্রতিটি জেলা প্রশাসনকে গৃহীত পদক্ষেপ, বরাদ্দ অর্থের ব্যবহার, কর্মসূচির আলোকচিত্র এবং সংক্ষিপ্ত প্রতিবেদন দ্রুত তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরে জমা দিতে হবে। প্রশাসনের মতে, পশ্চিমবঙ্গের ঐতিহ্যবাহী রথযাত্রাগুলিকে সংরক্ষণ, উৎসাহ প্রদান এবং ভক্তদের আরও উন্নত পরিষেবা দেওয়ার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছে রাজ্য সরকার।পশ্চিমবঙ্গের সবচেয়ে প্রাচীন রথযাত্রা হিসেবে সর্বাধিক স্বীকৃত হল মাহেশ রথযাত্রা।মাহেশ রথযাত্রা (হুগলি),স্থান: মাহেশ,জেলা: হুগলী,শ্রীরামপুর মহকুমা,শুরু: আনুমানিক ১৩৯৬ খ্রিস্টাব্দ,প্রতিষ্ঠাতা: ধ্রুবানন্দ ব্রহ্মচারী (Dhrubananda Brahmachari)-এর মাধ্যমে জগন্নাথদেবের পূজার প্রচলন হয়েছে বলে ঐতিহ্যগতভাবে বিশ্বাস করা হয়।বয়স: প্রায় ৬৩০ বছরেরও বেশি (২০২৬ সালের হিসেবে)।বিশেষত্ব: এটি শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয়, India-র অন্যতম প্রাচীন এবং Puri-র বাইরে সবচেয়ে বিখ্যাত জগন্নাথ রথযাত্রাগুলির একটি।ইতিহাসমাহেশের জগন্নাথ মন্দিরে বহু শতাব্দী ধরে রথযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। বর্তমান বিশাল কাঠের রথটি ১৯শ শতকে নতুনভাবে নির্মিত হলেও রথযাত্রার ঐতিহ্য কয়েক শতাব্দী পুরোনো। প্রতি বছর লক্ষাধিক ভক্ত এই উৎসবে অংশ নেন।উল্লেখযোগ্য প্রাচীন রথযাত্রামহেশ রথযাত্রা, শ্রীরামপুর (হুগলী জেলা)(Mahesh Rath Yatra) প্রায় ৬৩০+ বছরের ঐতিহ্য।গুপ্তিপাড়া রথযাত্রা (হুগলী জেলা) Guptipara Rath Yatra প্রায় ২৭০৩০০ বছরের ঐতিহ্য; ভাণ্ডার লুঠ উৎসবের জন্য বিখ্যাত।ময়না রথযাত্রা, চিরঞ্জীবপুর (পূর্ব মেদিনীপুর) Moyna Rath Yatra কয়েক শতাব্দী প্রাচীন ঐতিহ্য।মহিষাদল রথযাত্রা, (পূর্ব মেদিনীপুর) Mahishadal Rath Yatra রাজপরিবারের পৃষ্ঠপোষকতায় অনুষ্ঠিত ঐতিহাসিক রথযাত্রা।পশ্চিমবঙ্গের প্রাচীনতম এবং সর্বাধিক ঐতিহাসিক রথযাত্রা হিসেবে হুগলির মাহেশ রথযাত্রা-ই স্বীকৃত। এর ইতিহাস প্রায় ১৩৯৬ খ্রিস্টাব্দ থেকে শুরু হয়েছে বলে ঐতিহ্যগতভাবে ধরা হয়, ফলে এটি ৬০০ বছরেরও বেশি পুরোনো।

জুলাই ০৫, ২০২৬
রাজ্য

পলাতক সুমিতকে খুঁজতে এবার বড় পদক্ষেপ! রাতভর জেরায় উঠে এল কোন নতুন সূত্র?

জমি কেলেঙ্কারি মামলায় অভিযুক্ত অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্ত সহায়ক সুমিত রায় এখনও অধরা। তাঁকে খুঁজে বের করতে তদন্তে গতি বাড়িয়েছে পুলিশ। এরই মধ্যে সুমিতের সম্ভাব্য যোগাযোগের সূত্র ধরে দেবরাজ চক্রবর্তীকে টানা জিজ্ঞাসাবাদ করেছে বেঙ্গল বিশেষ তদন্তকারী দল। তদন্তকারীদের আশা, এই জেরার সূত্র ধরেই পলাতক সুমিতের অবস্থান সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলতে পারে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত রাতে দেবরাজ চক্রবর্তীকে দীর্ঘ সময় ধরে জেরা করা হয়। তদন্তকারীদের দাবি, দেবরাজের সঙ্গে সুমিত রায়ের নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। সেই কারণেই দেবরাজের কাছ থেকে সুমিতের বর্তমান অবস্থান এবং তাঁর গতিবিধি সম্পর্কে তথ্য জানার চেষ্টা চলছে।তদন্তে জানা গিয়েছে, জমি কেলেঙ্কারি মামলায় গ্রেফতার হওয়া প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক সুজয় হাজরাকে জিজ্ঞাসাবাদ করার সময় প্রথম সুমিত রায়ের নাম উঠে আসে। তারপর থেকেই তিনি নিখোঁজ। তাঁকে খুঁজতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতেও তল্লাশি চালায় পুলিশ। পাশাপাশি সুমিতের শ্বশুরবাড়িতেও তল্লাশি করা হলেও তাঁর কোনও খোঁজ মেলেনি।অন্যদিকে, সম্প্রতি তোলাবাজি, হুমকি এবং প্রতারণার অভিযোগে দেবরাজ চক্রবর্তীকে গ্রেফতার করেছে বেঙ্গল বিশেষ তদন্তকারী দল। বর্তমানে তিনি তদন্তকারীদের হেফাজতে রয়েছেন। পুলিশ সূত্রে খবর, শনিবার রাত সাড়ে দশটা থেকে বাগুইআটি থানায় তাঁকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়।তদন্তকারীদের সন্দেহ, দেবরাজের আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে সুমিত রায়ের কোনও যোগ ছিল কি না, সেই দিকটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে তোলাবাজির মাধ্যমে আদায় হওয়া টাকা সুমিতের কাছে পৌঁছত কি না, তা নিয়েও তদন্ত চলছে। পুলিশ মনে করছে, দেবরাজের জিজ্ঞাসাবাদ থেকে এই মামলার আরও একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসতে পারে। সেই কারণেই আগামী দিনেও তাঁকে ফের জেরা করা হতে পারে।

জুলাই ০৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal